Loading...

বিরল রোগ, সেল ও জিন থেরাপিসহ নির্দিষ্ট পণ্য পাবে এই সুবিধা
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সিকিউরিটি (বিআইএস) সম্প্রতি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য শুল্কের যোগ্য পণ্য ও দেশগুলোর তালিকা জানিয়েছে। সেখানে বাংলাদেশকে যোগ্য দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


পেটেন্ট করা ওষুধ আমদানিতে ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকরের মধ্যেই বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট কিছু বিশেষায়িত ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানকে এই শুল্কের বাইরে রেখে শূন্য শুল্ক সুবিধার আওতায় এনেছে দেশটি। তবে এ সুবিধা বাংলাদেশের সব ওষুধের জন্য প্রযোজ্য নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সিকিউরিটি (বিআইএস) সম্প্রতি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য শুল্কের যোগ্য পণ্য ও দেশগুলোর তালিকা জানিয়েছে। সেখানে বাংলাদেশকে যোগ্য দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় রয়েছে এমন ওষুধ, যার অনুমোদিত সব ব্যবহার বিরল রোগের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত। এ ছাড়া নিউক্লিয়ার মেডিসিন, রক্তের প্লাজমা থেকে উৎপাদিত থেরাপি, বন্ধ্যত্বের ওষুধ, সেল ও জিন থেরাপি এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটও শূন্য শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পাবে।
রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয় ও পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহৃত চিকিৎসাসামগ্রী এবং প্রাণিস্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কিছু ওষুধও এ তালিকায় রয়েছে। যোগ্য ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট সক্রিয় উপাদান ও কাঁচামালও নির্ধারিত শর্তে সুবিধা পেতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২ এপ্রিল একটি ঘোষণার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পেটেন্ট করা ওষুধ এবং সংশ্লিষ্ট ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদানের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। তালিকাভুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে তা ৩১ জুলাই কার্যকর হলেও অন্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে ওই ঘোষণায় কয়েকটি ব্যতিক্রম রাখা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি স্বাস্থ্যচাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত ওষুধ এবং দেশটির সঙ্গে কার্যকর বা প্রস্তাবিত বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোর আওতাভুক্ত দেশগুলোর যোগ্য পণ্য শূন্য শুল্ক সুবিধা পাবে।
বাংলাদেশের পাশাপাশি তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড ও লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম।
তবে তালিকাভুক্ত দেশে উৎপাদিত হলেই কোনো পণ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুল্কমুক্ত হবে না। ওষুধটিকে নির্ধারিত বিশেষায়িত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হতে হবে অথবা যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি স্বাস্থ্যচাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় হিসেবে অনুমোদন পেতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই করে এ সুবিধার যোগ্যতা নির্ধারণ করবে।
অন্যদিকে সাধারণ জেনেরিক ওষুধ, বায়োসিমিলার এবং সেগুলোর সংশ্লিষ্ট উপাদানকে আপাতত সেকশন ২৩২-এর এই ১০০ শতাংশ শুল্কের আওতায় রাখা হয়নি। তাই নতুন সিদ্ধান্তের সরাসরি সুবিধা মিলবে মূলত নির্ধারিত বিশেষায়িত ওষুধ রপ্তানিতে।
নবোদয়/ এআরজে/ জেডআরসি/ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬