Loading...

নিষেধাজ্ঞা নাকি নিয়মিত কনটেন্ট পরিবর্তনের অংশ?
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলচ্চিত্র দুটি বিমানের ফ্লাইটে প্রদর্শন বন্ধ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কোনো কোনো পোস্টে এগুলো প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এমন একটি খবর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন চলচ্চিত্র দুটির নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেল।


এক দশকের বেশি সময় ধরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে প্রদর্শিত হয়ে আসা নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেলের দুটি চলচ্চিত্র ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে, চলচ্চিত্র দুটির ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। নিয়মিত কনটেন্ট পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই এগুলো আপাতত প্রদর্শন করা হচ্ছে না।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলচ্চিত্র দুটি বিমানের ফ্লাইটে প্রদর্শন বন্ধ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কোনো কোনো পোস্টে এগুলো প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এমন একটি খবর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন চলচ্চিত্র দুটির নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেল।
বিমানের ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী কাজী রিটন জানান, প্রায় দুই মাস আগে তাদের জানানো হয়, চলচ্চিত্র দুটি আর প্রদর্শন করা হবে না।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ছবি দুটি দশ বছরের বেশি সময় দেখানো হয়েছে। তাই আপাতত না দেখানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে আবার দেখানো হবে।’

এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিমানের ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্টে থাকা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও অডিও কনটেন্টের তালিকা সাধারণত প্রতি তিন মাস পরপর পরিবর্তন করা হয়।
লাইসেন্স চুক্তির মেয়াদ, বিমানের সার্ভারের সীমিত স্টোরেজ এবং যাত্রীদের সন্তুষ্টির বিষয় বিবেচনা করে এই পরিবর্তন আনা হয় বলে জানান তিনি।
বিমান কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ফ্লাইটে প্রদর্শিত চলচ্চিত্র বা অন্য অনুষ্ঠানের মালিক বিমান নয়। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে এসব কনটেন্ট দেখানো হয়। লাইসেন্সের মেয়াদ কিংবা নির্ধারিত কনটেন্ট সাইকেল শেষ হলে পুরোনো কনটেন্ট সরিয়ে নতুন চলচ্চিত্র, অনুষ্ঠান ও অডিও যুক্ত করা হয়।
ফলে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ প্রদর্শন বন্ধের সিদ্ধান্তকে নিষেধাজ্ঞা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে দাবি বিমান কর্তৃপক্ষের। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে চলচ্চিত্র দুটি আবারও বিমানের ইন-ফ্লাইট এন্টারটেইনমেন্টে যুক্ত হতে পারে।
নবোদয়/ এআরজে/ জেডআরসি/ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬